রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
নয়াদিগন্তে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে প্রতিবাদ সংগ্রাম, ত্যাগ ও জনসম্পৃক্ততার প্রতীক সেলিম সরকার মেঘনায় আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ গড়তে কিশোরীদের প্রশিক্ষণ দিল ব্র্যাক মেঘনায় প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ, স্থানীয়দের ভিন্নমত মেঘনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা মেঘনায় এনসিপির পদযাত্রা ও পথসভা রোববার মেঘনায় চুরি হওয়া অটোরিকশার ব্যাটারিসহ আটক-২ নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার দাউদকান্দিতে পান্তা-ইলিশ নয়, ‘রুই-ইলিশে’ নববর্ষে ভিন্নমাত্রা এইচএসসি প্রস্তুতি জোরদারে মেঘনায় শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময়
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

জয়িতা প্রতিবন্ধী নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে মুন্ডা কমিউনিটিতে শুভ বড়দিন উদযাপন

Reporter Name
Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন

অষ্টমী মালো,ভয়েজ অব সুন্দরবন প্রতিনিধি।।

শুভ বড়দিন উপলক্ষে জয়িতা প্রতিবন্ধী নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে তাড়ানিপুর মুন্ডা কমিউনিটিতে এক আনন্দঘন আয়োজনের মাধ্যমে মুন্ডা শিশু ও নবীন প্রজন্মের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই কেক কেটে বড়দিনের শুভ সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে মুন্ডা জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে তাদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আয়োজন করা হয়। নাচ, গান এবং নাটকের মাধ্যমে মুন্ডা সংস্কৃতির বহুমাত্রিক রূপ তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে শিশু এবং তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শন করে আনন্দ ভাগাভাগি করেছে।

জয়িতা প্রতিবন্ধী নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক অষ্টমী মালো বলেন, *“এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা মুন্ডা কমিউনিটির শিশু এবং তরুণ প্রজন্মকে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ করে দিতে চেয়েছি। পাশাপাশি বড়দিনের শুভ বার্তাকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পেরে আমরা গর্বিত।”*

অনুষ্ঠানটি মুন্ডা কমিউনিটির মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।