রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
নয়াদিগন্তে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে প্রতিবাদ সংগ্রাম, ত্যাগ ও জনসম্পৃক্ততার প্রতীক সেলিম সরকার মেঘনায় আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ গড়তে কিশোরীদের প্রশিক্ষণ দিল ব্র্যাক মেঘনায় প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ, স্থানীয়দের ভিন্নমত মেঘনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা মেঘনায় এনসিপির পদযাত্রা ও পথসভা রোববার মেঘনায় চুরি হওয়া অটোরিকশার ব্যাটারিসহ আটক-২ নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার দাউদকান্দিতে পান্তা-ইলিশ নয়, ‘রুই-ইলিশে’ নববর্ষে ভিন্নমাত্রা এইচএসসি প্রস্তুতি জোরদারে মেঘনায় শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময়
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

ইউএনওর সরেজমিন উপস্থিতিতে কমছে অনিয়ম, বাড়ছে স্বচ্ছতা

মো. ইব্রাহীম খলিল মোল্লা
Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন

নীরব প্রশাসন নয়, মাঠে থাকা নেতৃত্বই বদলায় একটি উপজেলা। কুমিল্লার মেঘনায় সেটির বাস্তব উদাহরণ দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার যোগদানের পর থেকে পুরো উপজেলা জুড়ে যেসব উন্নয়নমূলক ও প্রশাসনিক কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সেগুলোর অগ্রগতি কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে তিনি নিজেই সশরীরে পরিদর্শন করছেন। দাপ্তরিক চেয়ারে বসে নির্দেশনা দেওয়া নয়, বরং কাজের জায়গায় গিয়ে বাস্তব চিত্র দেখে আসা এই প্রবণতাই মেঘনায় প্রশাসনের গতানুগতিক চিত্রকে বদলে দিচ্ছে।

প্রায় প্রতিটি পরিদর্শনে তাঁর সঙ্গে থাকেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ফখর উদ্দিন রাজী। ফলে প্রকল্পের নকশা, মান, সময়সীমা ও বাস্তব অগ্রগতিসহ সবকিছুই সরাসরি যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যে এলাকায় পরিদর্শন করা হয়, সে এলাকার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকেও সঙ্গে রাখা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে উন্নয়ন কাজে সমন্বয় ও স্বচ্ছতাও বাড়ছে।

মাঠপর্যায়ের এই তৎপরতা উন্নয়নকাজে গাফিলতি ও অনিয়মের সুযোগ কমিয়ে নিয়ে আসছে এমনটাই বলছেন স্থানীয়রা। রাস্তা, সরকারি স্থাপনা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কিংবা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং যে কোনো কাজই হোক না কেন, সরেজমিনে উপস্থিত থেকে পর্যবেক্ষণের ফলে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকছে না। প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও ধীরে ধীরে দৃঢ় হচ্ছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পরিদর্শন শেষে ইউএনও মৌসুমী আক্তারের বক্তব্যে থাকে স্পষ্ট ইতিবাচকতা ও দায়িত্ববোধের বার্তা। তিনি বারবারই সরকারি প্রতিটি কাজ জনগণের জন্য জোর দেন, আর সেই কাজে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি শুধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নয়, জনপ্রতিনিধিদের জন্যও একটি স্পষ্ট বার্তা। মাঠে থাকা, কাজ দেখা এবং ইতিবাচক নেতৃত্ব দেওয়ার এই ধারাবাহিকতা যদি বজায় থাকে, তবে মেঘনা উপজেলা প্রশাসনের জন্য তা নিঃসন্দেহে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।