রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
ভাওরখোলায় শুরু হচ্ছে আন্তঃ ইউনিয়ন প্রিমিয়ার লীগ, প্রস্তুত ‘নর্থ ব্রাদার্স’ ঈদ উপলক্ষে মেঘনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছেন ইউএনও মৌসুমী আক্তার মেঘনায় শীতবস্ত্র বিতরণে সেনাবাহিনী, উপকৃত অসহায় মানুষ ইউএনওর সরেজমিন উপস্থিতিতে কমছে অনিয়ম, বাড়ছে স্বচ্ছতা একজন জামাল হোসেন, আর দায়হীন কলমের কাঠগড়া শরিফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান দুই হাত নেই, তবু থেমে নেই আরশাদুলের জীবনসংগ্রাম ও শিক্ষার লড়াই মেঘনায় যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন মেঘনায় চুরি ঠেকাতে গ্রামবাসীর প্রহরী, তবু থামছে না চুরির ঘটনা পরীক্ষা বর্জন করে দাবিদাওয়ার নামে শিশুদের জিম্মি করা কি শিক্ষকতার দায়িত্ব?
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

পদত্যাগে বাধ্য করানো অধ্যক্ষ কে চারদিন পরে যোগদান

মোঃ শাহজাহান কবির প্রধান
Update Time : রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন

 

মোঃ শাহজাহান কবির প্রধান
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা সাকোয়া জামিলাতুন নেশা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ মফিজ উদ্দিন কে গত ২৭ আগস্ট বহিরাগত ছাত্র-ছাত্রীরা জোর করে পদত্যাগ করান,এতে করে সাকোয়া এলাকার সুশীল সমাজ ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে চারদিন পর উক্ত মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা অধ্যক্ষকে পুনরায় ফুলের মালা দিয়ে গ্রহণ করে নেন। উক্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষর মেয়ে মিম গণমাধ্যম কর্মীদের জানান আমার বাবার সাথে যে আচরণটি করেছে এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা প্রকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের এরকম আচরণ হতে পারে না আমার বাবা একজন সৎ যোগ্য ন্যয় নীতিবান আদর্শ শিক্ষক, আমার বাবাকে জোর করে কিছু বহিরাগত ছাত্র পদত্যাগ করিয়েছেন,এর আমি তীব্র নিন্দা জানাই, উক্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মফিজ উদ্দিন জানান যারা এই কাজটি করেছে তাদেরকে আমি মাফ করে দিলাম পরবর্তীতে বাংলাদেশের যেকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এরকম দুঃখজনক ঘটনা না ঘটে এ ব্যাপারে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। উক্ত মাদ্রাসার একজন ছাত্র গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, যারা এই কাজটি করেছে এটি মোটেও ঠিক হয়নি এটি বেআইনি এবং জঘন্যতম অপরাধ বলে আমি মনে করি, আমরা আমাদের অধ্যক্ষ স্যারের কাছে মাফ চেয়েছি তিনি আমাদের মাফ করে দিয়েছেন এবং সকল ছাত্র-ছাত্রী মিলে অধ্যক্ষ স্যারকে ফুলের মালা দিয়ে স্যারের আসনে বসিয়ে দিয়েছি।