রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
নয়াদিগন্তে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে প্রতিবাদ সংগ্রাম, ত্যাগ ও জনসম্পৃক্ততার প্রতীক সেলিম সরকার মেঘনায় আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ গড়তে কিশোরীদের প্রশিক্ষণ দিল ব্র্যাক মেঘনায় প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ, স্থানীয়দের ভিন্নমত মেঘনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা মেঘনায় এনসিপির পদযাত্রা ও পথসভা রোববার মেঘনায় চুরি হওয়া অটোরিকশার ব্যাটারিসহ আটক-২ নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার দাউদকান্দিতে পান্তা-ইলিশ নয়, ‘রুই-ইলিশে’ নববর্ষে ভিন্নমাত্রা এইচএসসি প্রস্তুতি জোরদারে মেঘনায় শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময়
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

পদত্যাগে বাধ্য করানো অধ্যক্ষ কে চারদিন পরে যোগদান

মোঃ শাহজাহান কবির প্রধান
Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

 

মোঃ শাহজাহান কবির প্রধান
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা সাকোয়া জামিলাতুন নেশা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ মফিজ উদ্দিন কে গত ২৭ আগস্ট বহিরাগত ছাত্র-ছাত্রীরা জোর করে পদত্যাগ করান,এতে করে সাকোয়া এলাকার সুশীল সমাজ ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে চারদিন পর উক্ত মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা অধ্যক্ষকে পুনরায় ফুলের মালা দিয়ে গ্রহণ করে নেন। উক্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষর মেয়ে মিম গণমাধ্যম কর্মীদের জানান আমার বাবার সাথে যে আচরণটি করেছে এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা প্রকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের এরকম আচরণ হতে পারে না আমার বাবা একজন সৎ যোগ্য ন্যয় নীতিবান আদর্শ শিক্ষক, আমার বাবাকে জোর করে কিছু বহিরাগত ছাত্র পদত্যাগ করিয়েছেন,এর আমি তীব্র নিন্দা জানাই, উক্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মফিজ উদ্দিন জানান যারা এই কাজটি করেছে তাদেরকে আমি মাফ করে দিলাম পরবর্তীতে বাংলাদেশের যেকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এরকম দুঃখজনক ঘটনা না ঘটে এ ব্যাপারে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। উক্ত মাদ্রাসার একজন ছাত্র গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, যারা এই কাজটি করেছে এটি মোটেও ঠিক হয়নি এটি বেআইনি এবং জঘন্যতম অপরাধ বলে আমি মনে করি, আমরা আমাদের অধ্যক্ষ স্যারের কাছে মাফ চেয়েছি তিনি আমাদের মাফ করে দিয়েছেন এবং সকল ছাত্র-ছাত্রী মিলে অধ্যক্ষ স্যারকে ফুলের মালা দিয়ে স্যারের আসনে বসিয়ে দিয়েছি।