শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা জালালাবাদে মিথ্যা মামলায় অসহায় পরিবার আদালতের কাঠগড়ায়। 

মোঃ শিহাব উদ্দিন 
Update Time : শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

 

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,

 

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের তেতুলিয়া গ্রামে মিথ্যা মামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।

মামলা সুত্রে জানাযায়, বাদী তেতুলিয়া গ্রামের ইব্রাহিম শেখের ছেলে সাবেক পুলিশ সদস্য মফিজুর রহমান পারিবারিক প্রত্রিক সম্পতি আত্বসাৎ করার জন্য পরিবারের জাকিয়া বেগম,দুলু শেখ, কালা মিয়া শেখ, নয়ন শেখ,লাবন্য,ডেইজি ও তিশাকে আসামী করে বাড়ী ঘর ভাংচুর ও লুট পাটসহ বিভিন্ন অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞ আদালত মামলাটি গোপালগঞ্জ সদর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠাতে নির্দেশ দেয় ।

পরে মামলাটি গোপালগঞ্জ সদর থানার এস আই শাহাদত হোসেন তদন্ত করেন।

মামলার আর্জিতে হুবহু যা লেখা আছে ব্যাক্তিগত ভাবে লাভবান হয়ে তিনি সকল আসামীকে অভিযুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন।

বাদীর মনোনিত ৫ জন স্বাক্ষীর মধ্যে নিজের স্ত্রী মারুফা খানম ছাড়া বাকী ৪ জন মামলা বা ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেনা বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে মামলার আসামীরা জানান,আমদের পারিবারিক সম্পতি দখল করার জন্য সাবেক পুলিশ সদস্য মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানী করছে । মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমাদের কাছে আসে নাই, এ বিষয়ে আমরা কিছু জানিনা । গ্রামের কোন লোক বা মামলা স্বাক্ষীরা যদি বলতে পারে এমন কোন ঘটনা ঘটেছে তা হলে সব কিছু মাথা পেতে নিব। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে । তদন্ত কর্মকর্তা একটি মিথ্যা মামলাকে সত্য বানিয়ে পুলিশ হয়ে পুলিশের পক্ষ নিয়ে তদন্ত রিপোর্ট দিয়েছে। পুলিশ সাধারন মানুষের আস্তার জায়গা হারিয়ে ফেলছে । ব্যাক্তিগত ভাবে লাভবান হয়ে মিথ্যা মামলা সত্য বানিয়েছে । আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম ।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সিআর ৬৭৫/২৪ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই শাহাদত হোসেন জানান, মামলার স্বাক্ষীদের সাথে কথা বলে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে । তবে এলাকাবাসীর সাথে মামলা সংক্রান্ত কোন আলোচনা করা হয়নি।

মামলার বাদীর মনোনিত ৫ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ৪ জন কিছুই জানেনা এমনকি এলাকাবাসী বলছে নাটক সাজিয়ে মামলা দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান স্বাক্ষীরা যা বলেছে সে মোতাবেক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে ।