বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার দাউদকান্দিতে পান্তা-ইলিশ নয়, ‘রুই-ইলিশে’ নববর্ষে ভিন্নমাত্রা এইচএসসি প্রস্তুতি জোরদারে মেঘনায় শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময় মেঘনায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেফতার মেঘনায় চন্দনপুর প্রিমিয়ার লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ২৭ বছর পর দৌলত হোসেন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বন্ধুদের মিলনমেলা মেঘনায় চাঁদাবাজি মামলার আসামি ইমরান গ্রেপ্তার মেঘনায় সামা কবরস্থানে উন্নয়ন আলোচনা ও বিশেষ দোয়া ভাওরখোলায় শুরু হচ্ছে আন্তঃ ইউনিয়ন প্রিমিয়ার লীগ, প্রস্তুত ‘নর্থ ব্রাদার্স’ ঈদ উপলক্ষে মেঘনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছেন ইউএনও মৌসুমী আক্তার
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

সিদ্ধিরগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার, পারিবারিক কোন্দলে হত্যা কি না তদন্ত চলছে: এসপি হারুন

Reporter Name
Update Time : বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ নং ওয়ার্ড পাইনাদী সিআই খোলা এলাকায় নিজ বাসায় মা ও দুই মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। নিহত নারী হলেন, নাজমীন আক্তার (২৮), মেয়ে নুসরাত (৮), খাতিজা (২) এবং মুমূর্ষ অবস্থায় সুমাইয়া (১২) নামের আরেক শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়েছে। ১৯ শে সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সিআই খোলা আনোয়ারের বাড়ীর ৬ তলার ভবনের ৬ তলা একটি ফ্ল্যাটে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। আনোয়ারের বাড়ীতে দীর্ঘদিন যাবৎ সুমন তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতো। তার রাত্রিকালিন ডিউটি শেষ করে সকালে বাসায় ফিরে সে তার স্ত্রী ও সন্তানদের মরদেহ দেখতে পায়। পরে তার চিৎকারে আশে-পাশে লোকজন এসে থানা পুলিশকে খবর দেয়। নিহত নাজনীন আক্তারের স্বামী মোঃ সুমন সানারপার জোনাকি পেট্রোল পাম্পে কাজ করেন। ঘটনার পর থেকেই নিহত নাজমীনের ভগ্নিপতি ও আহত সুমাইয়ার বাবা আব্বাস পলাতক রয়েছ।
জানা যায়, আব্বাস মাদকাসক্ত। নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন-অর রশীদসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । হত্যাকান্ডের আলামত সংগ্রহ করতে পিবিআই এবং ঢাকা থেকে সিআইডির ফরেনসিকের বিশেষজ্ঞ টিমও আসেন। পারিবারিক কলহের কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তার তদন্ত করছে পুলিশ।


নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বলেন, পারিবাারিক কারনে এই হত্যাকান্ড কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে। আব্বাসের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়, পরে আব্বাসের স্ত্রী নিহত ছোট বোন নাজমীনের বাসায় চলে আসে। ঘটনার দিন আব্বাসের স্ত্রী ইয়াসমিন সকালে গামেন্টসে চলে যাওয়ার পর আব্বাস নাজমীন এর বাসায় আসে। এর পরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এই সূত্র ধরেই হত্যা কান্ডটি হতে পারে। আব্বাস পলাতক রয়েছে তবে অতিদ্রুত আব্বাসকে আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনার সত্যতা এবং বিস্তারিত তদন্ত করে জানা যাবে।