বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার দাউদকান্দিতে পান্তা-ইলিশ নয়, ‘রুই-ইলিশে’ নববর্ষে ভিন্নমাত্রা এইচএসসি প্রস্তুতি জোরদারে মেঘনায় শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময় মেঘনায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেফতার মেঘনায় চন্দনপুর প্রিমিয়ার লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ২৭ বছর পর দৌলত হোসেন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বন্ধুদের মিলনমেলা মেঘনায় চাঁদাবাজি মামলার আসামি ইমরান গ্রেপ্তার মেঘনায় সামা কবরস্থানে উন্নয়ন আলোচনা ও বিশেষ দোয়া ভাওরখোলায় শুরু হচ্ছে আন্তঃ ইউনিয়ন প্রিমিয়ার লীগ, প্রস্তুত ‘নর্থ ব্রাদার্স’ ঈদ উপলক্ষে মেঘনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছেন ইউএনও মৌসুমী আক্তার
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

পলাশবাড়িতে ফকিরহাট মহিলা কলেজে  পরীক্ষার্থী মাত্র দুজন, দুজনই অকৃতকার্য

ফয়সাল রহমান জনি
Update Time : বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন

 

ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি। এই কলেজ থেকে মাত্র দু’জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। গত বছরও কলেজটি থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। ১৫ অক্টোবর দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মীর সাজ্জাদ আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফকিরহাট মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আবু তাহের খন্দকার নব। তিনি বলেন, ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে দুই শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই দুই শিক্ষার্থী ফকিরহাট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা সমপন্ন করে। কিন’ প্রকাশিত ফলাফলে তারা দুইজনই অকৃতকার্য হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কলেজটি ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুধুমাত্র পাঠদানের অনুমতি নিয়ে কলেজটি চালানো হচ্ছে। এরইমধ্যে কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগসহ সৃষ্ট দ্বন্দ্বের কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।

স’ানীয়রা অভিযোগ করে জানান, কলেজটির নিজস্ব কোনো জায়গা এবং অবকাঠামো নেই। কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা তাহের খন্দকার তার বড় ভাইয়ের জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়েছেন। কিছুদিন আগে সেই জমিও দখলে নেন তার ভাই। বর্তমানে কলেজে কোনো ছাত্রছাত্রী নেই। অথচ শুধু সাইনবোর্ড দেখিয়ে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আবু তাহের খন্দকার নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করে আসছেন।