রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
নয়াদিগন্তে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে প্রতিবাদ সংগ্রাম, ত্যাগ ও জনসম্পৃক্ততার প্রতীক সেলিম সরকার মেঘনায় আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ গড়তে কিশোরীদের প্রশিক্ষণ দিল ব্র্যাক মেঘনায় প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ, স্থানীয়দের ভিন্নমত মেঘনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা মেঘনায় এনসিপির পদযাত্রা ও পথসভা রোববার মেঘনায় চুরি হওয়া অটোরিকশার ব্যাটারিসহ আটক-২ নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার দাউদকান্দিতে পান্তা-ইলিশ নয়, ‘রুই-ইলিশে’ নববর্ষে ভিন্নমাত্রা এইচএসসি প্রস্তুতি জোরদারে মেঘনায় শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময়
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

পাহাড়ের কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা ভিক্ষু সংঘের

স ম জিয়াউর রহমান
Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন

 

 

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে :

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় এবছর রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবরদান উদযাপন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্মিলিত ভিক্ষু সংঘ।

আজ ৬ অক্টোবর রবিবার দুপুরে রাঙামাটি জেলা শহরের মৈত্রী বৌদ্ধ বিহারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের সভাপতি ভদন্ত শ্রদ্ধালংকার মহাথের।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৮ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর, ১ অক্টোবর খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় শতাধিক দোকানপাট ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। হামলায় বিভিন্ন মন্দির, বুদ্ধমুর্তি ভাঙচুর ও দানবাক্স লুট করা হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এ যাবৎকালে যতগুলো সাম্প্রদায়িক হামলা হয়েছে, তার কোনো সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হয়নি। সরকার লোক দেখানো তদন্ত কমিটি করে, যা আলোর মুখ দেখে না। এ ধরনের লোক দেখানো তদন্ত কমিটি করে ঘটনাগুলোকে বারবার ধাপাচাপা দেওয়া হয়। প্রশাসনের প্রতি কোনো আস্থা না থাকার পাশাপাশি বৌদ্ধ সমাজ ও ভিক্ষুসংঘ উদ্বিগ্ন ও শঙ্কিত।

তিনি বলেন, এমন অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীন পরিবেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের বৌদ্ধ সমাজ ও ভিক্ষু সংঘ আসন্ন পবিত্র কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যাপারে কোনো উৎসাহ বোধ করছে না। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভিক্ষু সংঘের মধ্যে আলোচনাক্রমে চলতি বছরে কঠিন চীবর অনুষ্ঠান না করার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বনভান্তে শিষ্য সংঘের সহসভাপতি সৌরজগৎ মহাথের, পার্বত্য ভিক্ষু পরিষদ বান্দরবানের সাধারণ সম্পাদক তেজপ্রিয় মহাথের, কাপ্তাই চিৎমরম রাজনিকায় মার্গের সহসভাপতি জ্ঞানবংশ মহাথের, ত্রিরত্ন ভিক্ষু অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আগ্গাশ্রী মহাথের, খাগড়াছড়ি শাসনা ভিক্ষু সংঘের সভাপতি সুমনা মহাথের, বৌদ্ধ শাসনা ভিক্ষু কল্যাণ পরিষদের সভাপতি সুরিয়েন্টা মহাথের, খাগড়াছড়ি ভিক্ষু অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আগাসার থেরসহ আর অনেকেই।