রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
নয়াদিগন্তে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে প্রতিবাদ সংগ্রাম, ত্যাগ ও জনসম্পৃক্ততার প্রতীক সেলিম সরকার মেঘনায় আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ গড়তে কিশোরীদের প্রশিক্ষণ দিল ব্র্যাক মেঘনায় প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ, স্থানীয়দের ভিন্নমত মেঘনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা মেঘনায় এনসিপির পদযাত্রা ও পথসভা রোববার মেঘনায় চুরি হওয়া অটোরিকশার ব্যাটারিসহ আটক-২ নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার দাউদকান্দিতে পান্তা-ইলিশ নয়, ‘রুই-ইলিশে’ নববর্ষে ভিন্নমাত্রা এইচএসসি প্রস্তুতি জোরদারে মেঘনায় শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময়
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

সাঘাটায় যৌথবাহিনীর অভিযান  ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেফতার ৫, মৃত্যু ২

ফয়সাল রহমান জনি
Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন

 

 

ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

গাইবান্ধার সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোশারফ হোসেন সুইটসহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। আহতদের মধ্যে সোহরাব হোসেন আপেল ও শফিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার ভোররাতে যৌথবাহিনী সাঘাটার গোবিন্দী গ্রামে অভিযান চালিয়ে মোশারফ হোসেন সুইট, সোহরাব হোসেন আপেল, শফিকুল ইসলাম, বাশহাটা গ্রামের সাহাদৎ হোসেন পলাশ ও উত্তর সাথালিয়া গ্রামের রিয়াজুল ইসলাম রকিকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছে অস্ত্র উদ্ধারে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় এবং কয়েকটি দেশীয় ছোরা ও রামদা উদ্ধার করে। সকালে গ্রেফতারকৃতদের সাঘাটা থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে।

এসময় গ্রেফতারকৃতরা অসুস্থ হয়ে পড়লে থানা পুলিশ সকালে সাঘাটা হাসপাতালে ভর্তি করে। তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শফিকুল ইসলাম ও রিয়াজুল ইসলাম পলাশকে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অন্যদের গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করে। বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে শফিকুল ইসলাম ও গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে সুইট চেয়ারম্যানের ভাতিজা সোহরাব হোসেন আপেল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

নিহত স্বজনদের দাবি গ্রেফতার পর শারীরিক নির্যাতনের ফলে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এবিষয়ে তারা আইনের আশ্রয় নিবে বলে জানা গেছে। তবে লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন না হওয়ায় এখনও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোশারফ হোসেন সুইট জানান, অস্ত্র উদ্ধারের নামে আমার ভাতিজা, বাড়ির কাজের ছেলেসহ আটকদের আমার জিম্মায় দিবে বলে লিখিত নেয়। এরপর কয়েকঘণ্টা চলে অমানুষিক নির্যাতন। নির্যাতনের ফলে ভাতিজা আপেল ও কাজের ছেলে শফিকুলের মৃত্যু হয়েছে।

সাঘাটা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম গ্রেফতার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতরা অসুস্থ হওয়ায় দু’জনকে বগুড়া হাসপাতালে ও চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে গাইবান্ধা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো. মোশারফ হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, যৌথবাহিনীর হাতে গ্রেফতারের পর তারা অসুস্থ হয়ে পরে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.মাহবুব হোসেন জানান, ময়না তদন্তের পর জানা যাবে মৃত্যু প্রকৃত কারণ।