রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
নয়াদিগন্তে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে প্রতিবাদ সংগ্রাম, ত্যাগ ও জনসম্পৃক্ততার প্রতীক সেলিম সরকার মেঘনায় আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ গড়তে কিশোরীদের প্রশিক্ষণ দিল ব্র্যাক মেঘনায় প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ, স্থানীয়দের ভিন্নমত মেঘনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা মেঘনায় এনসিপির পদযাত্রা ও পথসভা রোববার মেঘনায় চুরি হওয়া অটোরিকশার ব্যাটারিসহ আটক-২ নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার দাউদকান্দিতে পান্তা-ইলিশ নয়, ‘রুই-ইলিশে’ নববর্ষে ভিন্নমাত্রা এইচএসসি প্রস্তুতি জোরদারে মেঘনায় শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময়
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

শিশু রাইফার মৃত্যু, চার চিকিৎসককে আসামি করে থানায় এজাহার

Reporter Name
Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন

 

চট্টগ্রামের বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসকের গাফিলতিতে শিশু রাফিদা খান রাইফার মৃত্যু ঘটনায় এবার তার বাবা রুবেল খান থানায় মামলার আবেদন করেছেন। বুধবার বিকালে দৈনিক সমকালের চট্টগ্রাম ব্যুরোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুবেল চার চিকিৎসককে আসামি করে চকবাজার থানায় এজাহার দাখিল করেছেন। চার চিকিৎসক হলেন, শিশু বিশেষজ্ঞ বিধান রায় চৌধুরী, ম্যাক্স হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক দেবাশীষ সেন গুপ্ত, শুভ্র দেব ও ম্যাক্স হাসপাতালের পরিচালক ডা. লিয়াকত আলী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকবাজার থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, আমরা এজাহারটি নিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর মামলাটি গ্রহণ করব। এজাহারে রুবেল খান অভিযোগ করেন, চার চিকিৎসকের অবহেলা ও গাফিলতিতে রোগ সঠিকভাবে নির্ণয় না হওয়া এবং ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক ও অতিরিক্ত মাত্রায় সেডিল প্রয়োগের কারণে তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেছেন, অ্যান্টিবায়েটিকে আড়াই বছর বয়সী রাইফার শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হলেও তা বারবার প্রয়োগ করা হয়েছিল। পরে ওষুধের আলামতও নষ্ট করে দেয়া হয়। রুবেল দাবি করেছেন, এসব অ্যান্টিবায়োটিক মেয়াদোত্তীর্ণ কি না, তা যাচাই করতে সংরক্ষণ করার কথা বলা হলেও চিকিৎসকরা তা সরিয়ে ফেলেন। এই সাংবাদিকের দাবি, আলামত নষ্টের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুই ধরনের মৃত্যু সনদও দিয়েছিল। গলায় ব্যথা হওয়ায় রাইফাকে গত ২৮ জুন বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ডা. বিধান রায়ের অধীনে তার চিকিৎসা চলছিল। ২৯ জুন রাতে তার মৃত্যু হয়। এদিকে রাইফার মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে একটি কমিটি করে দেয়া হয়। পাশাপাশি চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটিও এ ঘটনার তদন্ত করে। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বাধীন কমিটি তাদের প্রতিবেদন কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা এবং গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়ে তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে।

এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ম্যাক্স হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটির কথা তুলে ধরে।

তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ম্যাক্স হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেবকে বরখাস্ত করে। তবে বিধান রায় তাদের নিয়োগপ্রাপ্ত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারার কথা জানিয়ে বলে, এই চিকিৎসককে আর হাসপাতালে ডাকবেন না তারা।