বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার দাউদকান্দিতে পান্তা-ইলিশ নয়, ‘রুই-ইলিশে’ নববর্ষে ভিন্নমাত্রা এইচএসসি প্রস্তুতি জোরদারে মেঘনায় শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময় মেঘনায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেফতার মেঘনায় চন্দনপুর প্রিমিয়ার লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ২৭ বছর পর দৌলত হোসেন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বন্ধুদের মিলনমেলা মেঘনায় চাঁদাবাজি মামলার আসামি ইমরান গ্রেপ্তার মেঘনায় সামা কবরস্থানে উন্নয়ন আলোচনা ও বিশেষ দোয়া ভাওরখোলায় শুরু হচ্ছে আন্তঃ ইউনিয়ন প্রিমিয়ার লীগ, প্রস্তুত ‘নর্থ ব্রাদার্স’ ঈদ উপলক্ষে মেঘনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছেন ইউএনও মৌসুমী আক্তার
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

কোনাবাড়ীতে কলেজছাত্রকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার

সুরুজ্জামান রাসেল
Update Time : বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন

 

সুরুজ্জামান রাসেল
গাজীপুর প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানার পাশে গুলি করে কলেজছাত্র মো. হৃদয়কে (২০) হত্যার অভিযোগে পুলিশের এক কনস্টেবলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার অভিযান চালিয়ে কিশোরগঞ্জের পারাইল এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

নিহত হৃদয় টাঙ্গাইলের গোপালপুরের আলমগর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে। তিনি হেমনগর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়তেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি কোনাবাড়ী এলাকায় বসবাস করে অটোরিকশা চালাতেন।

গ্রেফতারকৃত ওই কনস্টেবলের নাম মো. আকরাম হোসেন (২২)। তিনি গাজীপুর শিল্প পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

কোনাবাড়ী থানা পুলিশ সূত্রে জানা, বৈষ্যম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী সড়কের কোনাবাড়ী এলাকায় গত ৫ আগস্ট মো. হৃদয় (২০) সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন। এ সময় কয়েকজন পুলিশের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে হৃদয় রাস্তার পাশে অবস্থান নেন। ওই সময় শিল্প পুলিশে কর্মরত কিছু পুলিশ সদস্য কোনাবাড়ী এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় তাঁরা হৃদয়কে রাস্তার পাশ থেকে ধরে নিয়ে চড়থাপ্পড় মারেন। একপর্যায়ে পুলিশ কনস্টেবল আকরাম অতি উৎসাহী হয়ে তাঁর পেছন দিক থেকে গুলি করলে ঘটনাস্থলেই হৃদয়ের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২৫০-৩০০ জনকে আসামী করে নিহতের ফুফাতো ভাই মো. ইব্রাহীম বাদী হয়ে কোনোবাড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, ছয়জন পুলিশ ওই যুবককে ধরে নিয়ে পাশের গলিতে নিয়ে যান। পরে তাঁরা তাঁকে চারদিক দিয়ে ঘিরে ফেলেন। এর মধ্যে থেকে এক পুলিশ সদস্য হৃদয়ের মুখে চড়থাপ্পড় মারেন। এরপর পুলিশের মধ্য থেকে এক সদস্য তাঁর পেটে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে। এতে তাৎক্ষণিক তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং আশপাশে রক্তে ছেয়ে যায়। এ সময় ভিডিওতে দেখা যায়, আরও পাঁচজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে আসে। লাশ সেখানে কিছু সময় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে গত শুক্রবার রাতে কিশোরগঞ্জের পারাইল এলাকা থেকে আকরামকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার করে।

এবিষয়ে গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার সুবীর কুমার সাহা বলেন, কনস্টেবল আকরামকে শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতার করা হবে।