রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
ভাওরখোলায় শুরু হচ্ছে আন্তঃ ইউনিয়ন প্রিমিয়ার লীগ, প্রস্তুত ‘নর্থ ব্রাদার্স’ ঈদ উপলক্ষে মেঘনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছেন ইউএনও মৌসুমী আক্তার মেঘনায় শীতবস্ত্র বিতরণে সেনাবাহিনী, উপকৃত অসহায় মানুষ ইউএনওর সরেজমিন উপস্থিতিতে কমছে অনিয়ম, বাড়ছে স্বচ্ছতা একজন জামাল হোসেন, আর দায়হীন কলমের কাঠগড়া শরিফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান দুই হাত নেই, তবু থেমে নেই আরশাদুলের জীবনসংগ্রাম ও শিক্ষার লড়াই মেঘনায় যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন মেঘনায় চুরি ঠেকাতে গ্রামবাসীর প্রহরী, তবু থামছে না চুরির ঘটনা পরীক্ষা বর্জন করে দাবিদাওয়ার নামে শিশুদের জিম্মি করা কি শিক্ষকতার দায়িত্ব?
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

উৎসব আনন্দহীন জীবনেও কর্মব্যস্ত বাংলাদেশ পুলিশ

Reporter Name
Update Time : রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন

সাইফুল্যাহ মোঃ খালিদ রাসেল : পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়েই বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্যের পথচলা শুরু। মানবসেবার ব্রত নিয়ে পথ চলতে গিয়ে নিজের ইচ্ছা, আকাংখা, সখ-আনন্দকে নীরবে বিসর্জন দিয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। তবুও দায়িত্ব পালনে পিছপা হয়ে যায়নি । যে কোন প্রকার ধর্মীয় কিংবা সামাজিক উৎসবে যখন সারাদেশ পরিবারের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ব্যস্ত তখনো তাঁরা কর্মসূত্রে পারিবারিক আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়। সাধারন মানুষের আনন্দ নির্বিঘ্ন করতে তারা ছুটিহীন সময় পাড় করে। পরিবারের সদস্যদের সাথে আনন্দ করার বিষয়টি মুঠোফোনেই সীমাবদ্ধ রাখতে হয় বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের। শুধুমাত্র তাই নয় বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য জীবনের মায়া তুচ্ছ করে সর্বদা সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মাদক এবং সকল অপরাধ নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের জন্য করা সকল ত্যাগ আড়ালে রেখেই কর্মব্যস্ত থাকে বাংলাদেশ পুলিশ। বাংলাদেশের যে কোন দূূর্যোগময় পরিস্থিতিতেও সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ পুলিশ। করোনা মহামারির সময়ও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। মাহামারির প্রকোপ ঠেকাতে সারাদেশে যখন সাধারন ছুটি এবং লকডাউন চলছিলো তখনও প্রতিটি পুলিশ সদস্য কর্মস্থলে দায়িত্বরত ছিলেন। পারিবারিক সুরক্ষার চাইতেও দেশমাতৃকার সেবাই তাদের কাছে বেশী প্রাধান্যদায়ক ছিলো। কর্মরত থাকাকালীন কোনভাবেই সামাজিক দূরুত্ব মেনে চলা সম্ভব হয়না। তাই মহামারিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে তারাই প্রথম সারিতে অবস্থান করে। তবুও ভয়কে জয় করে দেশসেবায় অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য। সর্বোপরি আনন্দ উৎসব থেকে শুরু করে দেশের যে কোন ক্রান্তিলগ্নে দেশরক্ষার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশের কয়েকজন সদস্যের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজেদের পরিবার পরিজন থেকে বহুদূরে অবস্থান করতে হয়। সকল প্রকার রঙীন উৎসবে রঙহীন দিন কাটাতে হয় আমাদের। এমনকি ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতেও আক্রান্ত কিংবা মৃত্যু হওয়ার ঝুঁকিকে পেছনে ফেলেই কর্মব্যস্ত থাকতে হয় বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের। উৎসব আনন্দ হউক কিংবা পারিবারিক কোন বিপদ-আপদ কোন কিছুতেই সময়মত নিজেদের সামিল করা সম্ভব হয়না। তারা আরও বলেন, ভয়াবহ করোনায় বাংলাদেশ পুলিশের অনেক সদস্য আক্রান্ত এবং মৃত্যুর মিছিলে যোগ হয়েছেন। তবুও চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি আমরা। বিভিন্ন প্রয়োজনে করা ছুটির আবেদনগুলো বার বার না মঞ্জুর করা হয়। এভাবেই প্রতিটি দিন শেষ হয় আমাদের। পরের দিন আবার নতুন উদ্যমে পথচলা শুরু হয়। এতকিছুর পরও নিজেদের গর্বিত এবং সৌভাগ্যবান মনে করি দেশের জন্য কাজ করতে পেরে। এককথায় বাংলাদেশ পুলিশ শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত দেশ এবং সাধারন মানুষের নিরাপত্তা রক্ষায় কান্ডারী হিসেবে কাজ করে যাবে।