রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
ভাওরখোলায় শুরু হচ্ছে আন্তঃ ইউনিয়ন প্রিমিয়ার লীগ, প্রস্তুত ‘নর্থ ব্রাদার্স’ ঈদ উপলক্ষে মেঘনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছেন ইউএনও মৌসুমী আক্তার মেঘনায় শীতবস্ত্র বিতরণে সেনাবাহিনী, উপকৃত অসহায় মানুষ ইউএনওর সরেজমিন উপস্থিতিতে কমছে অনিয়ম, বাড়ছে স্বচ্ছতা একজন জামাল হোসেন, আর দায়হীন কলমের কাঠগড়া শরিফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান দুই হাত নেই, তবু থেমে নেই আরশাদুলের জীবনসংগ্রাম ও শিক্ষার লড়াই মেঘনায় যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন মেঘনায় চুরি ঠেকাতে গ্রামবাসীর প্রহরী, তবু থামছে না চুরির ঘটনা পরীক্ষা বর্জন করে দাবিদাওয়ার নামে শিশুদের জিম্মি করা কি শিক্ষকতার দায়িত্ব?
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা!

স ম জিয়াউর রহমান
Update Time : রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন

ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা!

 

 

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা নঈমুদ্দিন সেন্টু (৫৫) কে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করেছে।

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার বেলা ১২ টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে তার নিজ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চেয়ারম্যান সাহেব প্রতিদিনের মত নিজ কার্যালয়ে কাজ করছিলেন। এ সময় ৮/১০ জন দুর্বৃত্ত মোটর সাইকেল যোগে এসে সরাসরি চেয়ারম্যানের কক্ষে প্রবেশ করে এবং বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি করে চলে যায়। এরপর আমরা চেয়ারম্যান সাহেবকে মৃত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি।

ফিলিপনগর ইউপি চেয়ারম্যান নঈমুদ্দিন সেন্টুর ভাতিজা শিহাব সরকার জানান, এলাকার একটি পক্ষের সাথে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে চেয়ারম্যান সাহেবের মতপার্থক্য চলছিল। তারাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

দৌলতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সেখানকার পরিস্থিতি থমথমে অবস্থায় রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

স্হানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান নইমুদ্দিন সেন্টুর সাথে বিরোধ চলে আসছিল স্হানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যে। সরকার পরিবর্তনের পর তা আরও প্রকট হয়। স্হানীয়রা ধারণা করছেন বিএনপির সন্ত্রাসীরা এ হত্যাকান্ড ঘটাতে পারে।