রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
ভাওরখোলায় শুরু হচ্ছে আন্তঃ ইউনিয়ন প্রিমিয়ার লীগ, প্রস্তুত ‘নর্থ ব্রাদার্স’ ঈদ উপলক্ষে মেঘনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছেন ইউএনও মৌসুমী আক্তার মেঘনায় শীতবস্ত্র বিতরণে সেনাবাহিনী, উপকৃত অসহায় মানুষ ইউএনওর সরেজমিন উপস্থিতিতে কমছে অনিয়ম, বাড়ছে স্বচ্ছতা একজন জামাল হোসেন, আর দায়হীন কলমের কাঠগড়া শরিফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান দুই হাত নেই, তবু থেমে নেই আরশাদুলের জীবনসংগ্রাম ও শিক্ষার লড়াই মেঘনায় যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন মেঘনায় চুরি ঠেকাতে গ্রামবাসীর প্রহরী, তবু থামছে না চুরির ঘটনা পরীক্ষা বর্জন করে দাবিদাওয়ার নামে শিশুদের জিম্মি করা কি শিক্ষকতার দায়িত্ব?
ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা জেলার প্রতিটি থানায় সংবাদদাতা নিয়োগ দিচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কুমিল্লার কথা’। আপনি যদি সাংবাদিকতায় আগ্রহী হন, সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে এ সুযোগ আপনার জন্য। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন 'কুমিল্লার কথা' অফিসে বা নিন্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে।

রেস্টুরেন্টে অবৈধ কাজ, ৪২ ছাত্রছাত্রী আটক

স ম জিয়াউর রহমান
Update Time : রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন

রিপোর্ট: স ম জিয়াউর রহমান

 

 

ভৈরবে অবৈধ রেস্টুরেন্ট ও কফি হাউজে সেনাবাহিনী অভিযান চালায়। কাপড় দিয়ে ঘেরা এসব রেস্টুরেন্টে অবৈধ কাজের অভিযোগে ৪২ ছাত্রছাত্রীকে আটক করা হয়। পরে অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

রোববার দুপুরে উপজেলার মানিকদী ও কুলিয়ারচর সংযোগ জিল্লুর রহমান সেতু এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন ভৈরব সেনা ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ফারহানা আফরিন।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার জিল্লুর রহমান সেতু সংলগ্ন মানিকদী এলাকার ৮টি রেস্টুরেন্টে সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। তথ্য ছিল- শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে এসব রেস্টুরেন্টে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকে। সেনাবাহিনী রেস্টুরেন্টগুলোতে গিয়ে এর সত্যতা পায়। ওখানে প্রতিটি রেস্টুরেন্টের প্রতিটি কক্ষ কাপড় দিয়ে ঘেরা অবস্থায় ছিল। এ সময় অনৈতিক কার্যকলাপরত অবস্থায় ৪২ ছাত্রছাত্রীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের ডেকে এনে তাদের সন্তানরা যে ভুল পথে এগোচ্ছে তা তাদের অবগত করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা আটককৃত ছাত্রছাত্রীদের জীবন-জীবিকা সম্পর্কে বাস্তবতা নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

ভৈরব সেনা ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ফারহানা আফরিন বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা কখন কোথায় যাচ্ছে তা আমাদের নজর রাখতে হবে। রেস্টুরেন্টগুলোতে ছাত্রছাত্রীদের দেখে আমি অবাক হয়েছি। ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকসহ সবার মুচলেকা গ্রহণ করে তাদের অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর করেছি। এছাড়াও রেস্টুরেন্ট মালিকদের পরবর্তীতে এ ধরনের কোনো অনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালনা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া রেস্টুরেন্ট মালিকদের পর্দা ব্যবহারে বিধিমালাও প্রদান করা হয়েছে। এ সময় অপ্রয়োজনীয় ও অনৈতিক কার্যকলাপে ব্যবহৃত পর্দাগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।